শ্রীপুর প্রতিনিধি :
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলাধীন গোসিংগা ইউনিয়নের পেলাইদ গ্রামে মৃত শাহেদ আলীর ছেলে হেলাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে।
হেলাল উদ্দিন গাজীপুর ৩ আসনের সাবেক সাংসদ ইকবাল হোসেন সবুজের মদদ প্রাপ্ত হওয়ায় বিগত সময়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিজের পদ ও ইকবাল হুসেন সবুজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে হেলাল নিজের পরিবারসহ এলাকাবাসীকে নানা প্রকার হয়রানি ও অত্যাচার করে। ইতিপূর্বে হেলাল তার অপর ভাই মোস্তফা কামালকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছিল।
বর্তমানে হেলাল তার আরেক ভাই আজিজুল হকের পরিবারের উপর অত্যাচার শুরু করেছে। গত ২৯ শে মার্চ সন্ধ্যা ছয়টার সময় হেলালের প্রচলনায় তার ছেলে শরিফ, স্ত্রী লুৎফুন্নাহার, অজ্ঞাতনামা এক বিয়াই সহ কয়েকজন বিনা উসকানিতে দা, লাঠি, রড সহ বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আজিজুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় হেলাল বাহিনী আজিজুল হককে খুঁজে না পেয়ে আজিজুল হকের স্ত্রী সহ বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় লুৎফুন্নাহার আজিজুলের স্ত্রী জরিনা খাতুন কে মারধর করে। এরপর চলে যাওয়ার সময় হেলাল বাহিনী আজিজুল হকের বাড়ির সদর গেইট ভাংচুর করে এবং বাড়ির পাশে থাকা বিভিন্ন প্রকারের প্রায় চল্লিশটি ফলজ ও বনজ গাছ কর্তন করে।
এই ব্যাপারে আজিজুল হক বাদী হয়ে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আজিজুল হক জানান, আমার ভাই হেলাল উদ্দিন আওয়ামী লীগের পদে থাকায় বিভিন্ন সময়ে পদের অপব্যবহার করে আমাদের পরিবারসহ এলাকার অন্যান্য বাসিন্দাদের বিভিন্ন প্রকার অন্যায় অত্যাচার করে। হেলালের তাণ্ডবে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকা সত্ত্বেও হেলাল তার অন্যায় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এরই ফলস্রুতিতে আমার বাড়িতে ভাঙচুর সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর ও আমার প্রায় ৪০ টি গাছ কর্তন করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ব্যাপারে জানার জন্য হেলাল উদ্দিনের নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও কল রিসিভ করেনি হেলাল।
শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জয়নাল আবেদীন মন্ডল জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।