এম জাফরান হারুন::
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নে পৈত্রিক সম্পত্তিতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষ বাধা দিয়ে ভাঙচুর সহ মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে বগা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের শাপলাখালী গ্রামে। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছেন মো. মোস্তফা বিশ্বাস ও তার ভাই মাহবুব বিশ্বাস। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. মজিবুর বিশ্বাসের ছেলে।
মো. মোস্তফা বিশ্বাস অভিযোগ করে বলেন, পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমি গত বছর থেকে বাড়ির কাজ ধরি। তখনই আমার নামে প্রতিপক্ষ আবুল বিশ্বাস কোর্টে একটা এমপি মামলা করেন। সেই মামলায় আমি রায় পেয়েছি। আর রায় পেয়ে বাড়ির কাজ ধরলে চৌকিদার মো. আলমগীর বিশ্বাস ও আবুল বিশ্বাসের পরিবারের মহিলা পুরুষ সহ তারা একত্র হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এবং আমার দেওয়া বাড়ির বেড়া ভাঙচুর করে। তাতে আমি বাধা বিপত্তি করলে তারা আমাকে মারধর করে। এদিকে এবিষয়ে থানায় জানালে পুলিশ দ্রুত এসে আমাকে সহ আমার পরিবারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান এবং আমরা বিচারের দাবিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
মাহবুব বিশ্বাস বলেন, ৯৪ নং শাপলাখালী মৌজার ৬১ নং খতিয়ানের ৩৪৬ নং দাগের জমির পরিমাণ ১ একর ৪৯ শতাংশ ও ৫৯ নং খতিয়ানের ৩৪৭ নং দাগের জমির পরিমাণ ২৭ শতাংশ জমি যাহার তিন ভাগের এক ভাগ আলী আহম্মদ বিশ্বাসের নামে রেকর্ড। তারই ওয়ারিশ সূত্রে মালিক আমি মাহবুব বিশ্বাস ও আমার বড় ভাই মোস্তফা বিশ্বাস। কিন্তু প্রতিপক্ষের চৌকিদার আলমগীর বিশ্বাসের নির্দেশে আবুল বিশ্বাস ও তার পরিবারের লোকজন আজকে বিগত ২০ বছরের উপরে আমাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে। এ সম্পত্তিতে আমার বাবার কবরস্থান রয়েছে। বাবার কবরস্থানটা ইট দিয়ে বাধতে গেলে সেখানেও তারা বাধা বিপত্তি করে আসছে। আমরা এসব থেকে পরিত্রাণ সহ তাদের বিচার চাই।
এব্যাপারে প্রতিপক্ষের চৌকিদার আলমগীর বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা বাধা দিছি নাকি কে বাধা দিছে তা আপনি স্পটে আসেন তখন বলবো!
এবিষয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করা বাউফল থানার এসআই মো. মাসুদ খলিফা বলেন, এব্যাপারে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।