এম জাফরান হারুন::
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বাসিন্দা ১১জন গরু মহিষ চোর চক্রের সদস্যদেরকে চোরাইকৃত ৫টি গরু সহ আটক করেছে লালমোহন থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বাবুল আক্তার লালমোহন থানায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানান দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার জানান, গত ২ মার্চ দিবাগত রাতে লালমোহন উপজেলার চর কচুয়াখালী থেকে মো. জাকির মাঝি ও তার এক আত্মীয়ের গরুর খোয়ার থেকে ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। পরের দিন জাকির মাঝি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে লালমোহন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ একটি চৌকস পুলিশ দল বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মাঝেরচর (চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন) এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদেরকে আটক করেন। পরে শনিবার (৮ মার্চ) দুপুরের পরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এরা সবাই পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার মাঝের চরের (চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন) বাসিন্দা। তারা দীর্ঘ দিন ধরে গরু চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়।
আটককৃতরা হলো – মো. নুরু গাজী (৪৫), জুয়েল মৃধা (৩০), মাঈনুদ্দিন প্যাদা (৩০), আবুল হাশেম (৪০), আবু তাহের (৪৭), নিজাম (৪২), মাজাহারুল হাওলাদার (৩৪), ইসমাত হোসেন (১৯), রেজাউল সরদার (৪৫), জাকির হাওলাদার (৫২), তোফাজ্জল ফরাজী (৫৫)।
এসব কর্মকাণ্ডে তারা জড়িত এবং তারা সবাই আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন।