নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বহুল আলোচিত নিউজ পোর্টাল ‘ ডেইলি বিডি ক্রাইম টাইমস ” ফকরুল আলমের নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সোচ্চার হওয়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার সকল কর্মসূচি সহ তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারী রেলওয়ে বিষয়ে অর্ডারে চট্টগ্রাম বিভাগের হাটহাজারী স্টেশন থেকে সরিয়ে নগরীর ষোলশহর জংশন স্টেশনে বদলী করে স্টেশন মাস্টার ফকরুল আলম’কে। এ নিয়ে রেল পাড়ায় এবং সর্বস্তরে রোষানলে পড়েন রেলওয়ে উচ্চ পর্যায়ে কর্মকর্তা গন। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন- প্রাথমিক ভাবে ঘটনা সত্যতা যাছাইয়ে জনাব ফকরুল আলম’কে ষোলশহর জংশন বদলী করা হয়। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার সকল অভিযোগ এবং দেশের সকল স্টেশনে ও ট্রেনের পোস্টারিং আমাদের উচ্চপদস্থ কর্মকতাদের নজরে এসেছে।
রেলওয়ে সূত্র বলছেঃ ঘটনা সত্যতা যাছাই শেষে ফকরুল আলমকে পহেলা মার্চ গুণবতী স্টেশনে পূনরায় বদলী করা হয়। একই সাথে দীর্ঘদিন জানআলী হাট স্টেশনে কর্মরত বিতর্কিত স্টেশন মাস্টার ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার অভিযুক্ত আব্দুস সালাম ভূইয়া’কে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে প্রাথমিক ভাবে বদলী করা হয়। রেলভবন সূত্রে যানা যায় আব্দুস সালাম ভূইয়ার বিষয়ে অভিযোগ যাছাইয়ে সত্যতা পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিভাগীয় শাস্তি ও বদলীর প্রক্রিয়া গ্রহণ করবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। যেমনটি স্টেশন মাস্টার ফকরুল আলমের ক্ষেত্রে হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে খুব গোপনীয়তার সহিত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার এই অভিযোগ সমূহ খতিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার মূখ্য সমন্বয়ক বলছেন আমরা দোষীদের শাস্তি দাবী করেছি এভাবে বদলী বা পদায়ন কোন সমাধান নয়। বিগত ২১ বছর যে পরিবমান অত্যাচার ও নিপিড়ন তারা করেছে শতবার বদলী করলেও তার দায় মিটবে না।
রেলওয়ে চট্টগ্রামস্থ স্টেশন মাস্টার ও বিভিন্ন কর্মচারীগন এমন তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে। যদিও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এমন সিদ্ধান্ত তারা নিতে পারেনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাহাড়তলী রেলওয়ে কন্ট্রোল অফিসে কর্মরত একজন স্টেশন মাস্টার জানানঃ আমাদের চাকরি হয় রেলওয়েতে ২০১৫ সালে সহকারী স্টেশন মাস্টার হিসেবে। আমরা চাকরিতে এসেই দেখেছি স্টেশন মাস্টার কর্মচারী এসোসিয়েশনের কর্নধার মোখলেছুর রহমান সাহেব এবং নেজাম উদ্দিন সাহেবের অপরিহার্য পরিশ্রম ও সহযোগিতা। ফকরুল সাহেব ও সালাম ভূইয়া সাহেবদের পক্ষপাতী সিদ্ধান্তে সিনিয়রদের অবমূল্যায়ন শুরু হয়। রাতারাতি ফকরুল সাহেবদের ভূমিকা হয় তীক্ষ্ণ। অত্যাচারী স্বৈরশাসকের মত আচরন। রেলওয়েতে আমি ও আমার স্ত্রী দুজনই একই ব্যাচের সহকারী স্টেশন মাস্টার উনাদের কথার বাহিরে গেলেই বিপদ হতো।
আমাদের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান স্যারকে ধন্যবাদ সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য৷ বর্তমানে এই কয়েকজন ব্যক্তির জন্য পুরো স্টেশন মাস্টারদের কাছে চট্টগ্রাম বিভাগের মাস্টারগন ছোট হয়ে আছে নির্বাচন বয়কটের কারনে।