ইত্তিজা হাসান মনির, বরগুনা প্রতিনিধি:
হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরগুনা সদর রোডে (উকিল পট্রি) মুক্তিযোদ্ধা কম্পোলেক্স দ্বিতীয় তলা অবস্থিত কোন সাইন বোর্ড বিহীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনটি কোন ভাবেই বোঝার উপায় নেই এখানে একটি অফিস রয়েছে।
প্রতিদিন মুক্তিযোদ্ধারা আসা যাওয়া করছে এই ভবনটিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সরকারের বরাদ্ধকৃত জঙ্গি ও স্বাধীনতা বিরোধী তৎপরতা রোধে সচেতনতা বাজেটের অর্থ আত্বসাৎ করেছে উপ পরিচালক মোঃ আনোয়ারুল হক।
অত্যন্ত সু চতুর গাজী আনোয়ারুল হক শিক্ষক নিয়োগের নামে লুটে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। ইমাম সমাবেশের নামে বরাদ্ধকৃত টাকা খরচ না করেই বিল ভাউচার করেছে এই দূর্নীতিবাজ কাজী আনোয়ারুল হক। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন আমার এই অর্থ লুটপাটের সকল কাজে সহযোগিতা করছেন বিভিন্ন উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজাররা (এফএস) তিনি নিজেই টাকা প্রাপ্তি মাস্টার রোল বের করে বলেন এই দেখেন এ ভাবেই মানুষে কাজ থেকে বেশী টাকা নিয়েছে আমার অফিসের লোকজন, সাংবাদিকের ভয় আবার কিছু অর্থ ফেরৎ দেয়া হয়েছে।
রুহুল আমিন নামের একজন শিক্ষক বলেন আমি পরীক্ষায় বেশী নম্বর পেলেও অন্য জনের কাছ হতে টাকা নিয়ে তাকেই চাকরী দিয়েছে এই আনোয়ারুল হক।
জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সংম্বর্ধনা বরাদ্ধকৃত টাকা আত্মসাৎ করা এই উপ-পরিচালক আনোয়ারুল দারুল আরকাম এবতেদায়ী মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের নামে করেছে নিয়োগ বানিজ্য। মাদ্রাসার মালামাল ক্রয়ের টাকার কোন হিসাব মিলাতে পারছেন না এই উপ পরিচালক।
জেলার সকল শিক্ষকদের কাছ হতে যাকাতের টাকা তুলে খরচ করেছে নিজের মত। সোবাহান খান নামের এক শিক্ষক বলেছেন এমন কোন সরকারী বাজেট নেই যেখান থেকে চুরি করেনা এই উপ পরিচালক কাজী আনোয়ারুল হক।
দূর্নীতিবাজ উপ পরিচালক আনোয়ারুল হক নিজেকে একজন কৃষিবিদ দাবী করে নিজের অফিসকে দূর্নীতির অভয়ারন্যে পরিনত করেছে।