সাংবাদিক আবু মঈনের প্রতিবেদন-
মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলা বাজার বনিক সমিতির সদস্যরা বিভিন্ন সমাজ কল্যান সংগঠনের উদ্দোগে অদ্য শনিবার ৭ই মার্চ ২০২০ইং উপজেলা পরিষদ ও থানার সম্মুখে সন্ত্রাস বিরোধী বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদী মিছিল মিটিং এর আয়োজন করে। এই সম্মেলনের মূখ্য উদ্দোক্তা বনিক সমিতির সভাপতি জনাব আব্দুল মছব্বির ও তাহার সমিতির সকল সদস্যরা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে চলমান আওয়ামী নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আইন প্রশাসনের প্রতি গভীর দৃষ্টি আকর্ষনসহ স্বারক লিপি দাখিল করেন। ঘটনা প্রশংগে উল্লেখ্য- স্থানিয় আওয়ামী ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক ইত্যাদি লীগের নেতাকর্মিরা রাজনৈতীক দলীয় ক্ষমতার জোরে ও আইন প্রশাসনের কিছু দূর্নীতি পরায়ন কর্মকর্তাদের সহযোগীতায় এলাকায় চাদাঁবাজী, টেন্ডারবাজী ও রমরমাট মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে এইরুপ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তাহাদের বিরুদ্ধে কেও কোন প্রতিবাদ বা আইনি ব্যবস্থা নিতে চাইলে প্রতিনিয়ত জীবন নাশের হুমকি ধামকি ও বর্বরচীত নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবাদী মহল তাহাদের স্বারক লিপিতে আরো বর্ননা করেন যে-বাজার বনিক সমিতি ও নয়া দিগন্ত যুব সংঘের সদস্য জনাব সাজেদ মাসুদ ও বাজার কমিটির সদস্য আকবর মিয়া, শ্রী নয়ন চৌধুরী, দারোয়ান জবির উদ্দিন গং সাংগঠনিকভাবে স্থানিয় প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ি ও যুবলীগ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে গনপ্রতিরোধ চালাতে গিয়ে গতকাল শুক্রবার ৬ই মার্চ রাতে সন্ত্রাসীদের বর্বরচীত হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে। উপরন্ত এই বর্বরচীত হামলা চলাকালিন সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ি আকবর মিয়া, সাজেদ মাসুদ ও শ্রী নয়ন চৌধুরীর দোকান ভাঙ্গচুড় ও লুটপাটের মাধ্যমে আর্থীক ভাবে চরমক্ষতি সাধন করলে তাহারা এই বিষয় থানায় সন্ত্রাসীদের নাম পরিচয় উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় পুলিশ প্রশাসন এখনো কোন আইনি ব্যবস্থা বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করেন নাই, উপরন্ত অপরাধীরা এলাকায় প্রকাশ্যে বিচরন ও মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে ভিকটিমদের ভয়ভীতিকর হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। প্রতিনিধি বিশেষ ভাবে আরো নিশ্চিত করেন যে-সমিতির প্রতিবাদী মিছিল মানববন্ধন চলাকালিন সময় বিভিন্ন মিডিয়া সংবাদিক তাহাদের অভিযোগ ভাষ্য গ্রহনের সময় সরকার সমর্থীত মূখোশ ও অস্ত্রধারী ৪৩/৪৫জন সন্ত্রাসীর নির্মম আক্রমনের শিকার হয়ে এলাকা থেকে দ্রুত পালাতে সক্ষম হয়। এমনতাবস্থায় উপস্থিত পুলিশ ফোর্স সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে আইন শৃঙ্খলা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে এবং প্রতিবাদী মানববন্ধন কারীদের ছত্রভঙ্গা করার লক্ষে এলোপাথারি লাঠি চার্জ করতে থাকে। এমনকি সমিতির কিছু সদস্যদের বিরুদ্ধে সরকার বিরোধী আন্দোলনের অভিযোগ সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।